বৃহস্পতিবার , ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫ | ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ ও দুর্নীতি
  2. অর্থনীতি
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আরও
  5. ইসলাম
  6. করোনাভাইরাস
  7. খাদ্য
  8. খেলাধুলা
  9. জাতীয়
  10. বানিজ্য
  11. বিনোদন
  12. রাজনীতি
  13. লাইফস্টাইল
  14. শিক্ষা
  15. সর্বশেষ

দলীয় প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিলের দাবিতে সাংবাদিক সম্মেলনে এককাট্টা বিএনপির পাঁচ নেতা

প্রতিবেদক
tulpar
ডিসেম্বর ১৮, ২০২৫ ১১:২২ পূর্বাহ্ণ


কিশোররগঞ্জ প্রতিনিধি.

কিশোরগঞ্জ-১ (কিশোরগঞ্জ সদর-হোসেনপুর) আসনে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মাজহারুল ইসলামের দলীয় মনোনয়ন বাতিলের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে (১৮ ডিসেম্বর) দুপুরে জেলা শহরে বিএনপি নেতা রেজাউল করিম খান চুন্নুর স্টেশন রোডের কার্যালয়ে দলের পাঁচ মনোনয়নপ্রার্থী এই সংবাদ সম্মেলন করেন।
মনোয়ন বাতিল চাওয়া ওই পাঁচজন হলেন সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাসুদ হিলালী, জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি রেজাউল করিম খান চুন্নু, মো. রুহুল হোসাইন, শরীফুল ইসলাম ও সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল।
মাসুদ হিলালী লিখিত বক্তব্যে বলেন, এক ব্যক্তিকে খুশি করতেই এমন একজনকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে, যিনি ইতিপূর্বে কিশোরগঞ্জ পৌরসভায় দু’বারের মনোনীত মেয়র প্রার্থী হয়েও পাস করতে পারেননি এবং যাঁর বিরুদ্ধে স্বৈরাচার সরকারের সঙ্গে আঁতাত থাকায় তাঁর বিরুদ্ধে একটি মামলা-মোকদ্দমাও হয়নি। যিনি বিগত ১৬ বছরে পুলিশের লাঠির আঘাত কিংবা একটি আঁচড়ও পাননি। যাঁর বিরুদ্ধে রয়েছে স্বৈরাচারের দোসর হিসেবে অঢেল অভিযোগ।
সংবাদ সম্মেলনে রেজাউল করিম খান চুন্নু বলেন, কিশোরগঞ্জ জেলায় সবার মুখে একটি কথাই রয়েছে যে, একজন চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। যা কিশোরগঞ্জ ও হোসেনপুরবাসির কখনো কাম্যনয়।
জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি হুল হোসাইন বলেন, ৫ আগস্টের পর মাজহারুল ইসলাম ফুটপাতের হকার থেকে শুরু করে বালুমহাল, জলমহালসহ যত ধরনের অফিস-আদালত আছে, সৈয়দ নজরুল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ সবখান থেকেই চাঁদা নিয়েছেন।
খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল বলেন, যাঁকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে, উনার নিজের কেন্দ্রেও উনি সাত ভোট কম পেয়েছিলেন। উনি দলের মধ্যেও প্রশ্নবিদ্ধ। উনি ২০০৮ সালের নির্বাচনে নৌকা মার্কার ব্যাচ পরে দলের বিপরীতে অবস্থান নিয়েছিলেন। উনার পৌরসভাতেই বিচরণ নাই। উনাকে ইউনিয়নের মানুষ চেনে কি না, তাতেও সন্দেহ আছে।
জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও দলের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পাওয়া মোহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম বলেন, সবকিছু নিখুঁতভাবে যাচাইয়ের পর আমাকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। কিশোরগঞ্জ সদর ও হোসেনপুর উপজেলার বিএনপির সব নেতা-কর্মী আমার সঙ্গে আছেন। তারা ধানের শীষের পক্ষে মাঠে কাজ করছেন। দলের নির্দেশনা লঙ্ঘন করে তারা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে। দল মনোনয়ন তো সবাইকে দিতে পারবে না। তাঁরা এখন মনঃক্ষন্ন। আমি আশা করছি, দলের নির্দেশে তাঁরাও আমার পক্ষে কাজ করবেন।
জেলা বিএনপির সভাপতি মো. শরীফুল আলম বলেন, মনোনয়ন দেওয়ার মালিক বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও স্থায়ী কমিটি। আমার তো ক্ষমতা নাই মনোনয়ন দেওয়ার। সারা দেশে উনি ৬-৭টা জরিপ করেছেন। যাঁর অবস্থান ভালো, উনি তাঁকেই মনোনয়ন দিয়েছেন।

 

এদিকে ১৭ ডিসেম্বর রাতে সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাসুদ হিলালী, জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি রেজাউল করিম খান চুন্নু, মো. রুহুল হোসাইন, শরীফুল ইসলাম ও সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেলের নেতৃত্বে  ৩য় বারের মতো  মনোনয়ন বাতিলে দাবিতে শহর জুড়ে বিশাল মশাল মিছিল বের করেন।

সর্বশেষ - সর্বশেষ

আপনার জন্য নির্বাচিত

কিশোরগঞ্জে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার অভিষেক অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

কিশোরগঞ্জ জেলা জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার নবগঠিত কমিটির অভিষেক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

পুলিশের ওপর হামলা মামলায় কিশোরগঞ্জ ছাত্রদল সভাপতি কারাগারে

ইউপি নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ নেই : প্রধানমন্ত্রী

মামলা তদন্তে বিশেষ অবদান-করিমগঞ্জের ওসি (তদন্ত) পেল পুরষ্কার

গাজীপুরে ট্রেনের সাথে বাসের সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ৫

কিশোরগঞ্জে যুবকে জবাই করে হত্যা, ঘাতক গ্রেপ্তার

শেখ হাসিনার বিচারের বিষয়ে অবস্থান জানাল জাতিসংঘ

কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে জাপার মনোনয়ন প্রত্যাশী অ্যাড. শামছুল আলম মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন

রাজশাহীতে বিভাগীয় পর্যায়ে অধিপরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত