আজ ১২ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

অবিশ্বাস্য দামে বিক্রি হচ্ছে মেসির সেই কান্নামোছা টিস্যু!

Spread the love

ক্রীড়া ডেস্ক.
গোটা ফুটবলবিশ্ব তখন পুরোপুরি বিষণ্ণ হয়েছিল দৃশ্যটা দেখে। পাক্কা ২১টা বছর বার্সেলোনাতে কাটিয়ে ন্যু ক্যাম্পের সঙ্গে সংযোগ বিচ্ছেদের মুহূর্তে আর আবেগ ধরে রাখতে পারেননি ফুটবল যাদুগর লিওনেল মেসি। প্রকাশ্যেই কাঁদলেন অঝোরে।

আর্জেন্টাইন এই ক্ষুদে যাদুগরের চোখে অশ্রু সহ্য করতে পারেননি তার পরম অনুরাগীরা। তখনই নিজের চোখের জল মুছতে টিস্যু ব্যবহার করেছিলেন তিনি। সেই সামান্য টিস্যুই এবার মেসির অশ্রু ছুঁয়ে হয়ে গেল অমূল্য! এখন সেটিই বাজারে বিক্রি হতে চলেছে চড়া দামে।

বার্সেলোনাতে প্রায় দু’দশকের কাছাকাছি সময় কাটানর পর এবার প্যারিস সাঁ জঁ-তে ঘর বেঁধেছেন ফুটবল বিশ্বের এই মহা তারকা। কেবল বার্সেলোনার সমর্থকরাই নন, সেদিন কেঁদে ভাসিয়েছিলেন গোটা বিশ্বের ফুটবল সমর্থকরা। মূলত সেই কান্নাতেই বুঝি সংক্রমিত হয়েছিলেন মেসিও।

বিদায়ী সংবাদ সম্মেলনে আর ধরে রাখতে পারেননি নিজের চোখের জল। যদিও পরে সেই পানি মুছে ফেলেন টিস্যু দিয়ে। আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যম ‘মিশনস অনলাইনের’ দাবি, এবার সেই টিস্যুর দাম উঠেছে ১০ লক্ষ ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা সাড়ে ৮ কোটি টাকা।

জানা যাচ্ছে, আবেগময় ওই সংবাদ সম্মেলনের পর মেসির ফেলে যাওয়া সেই টিস্যুটি কুড়িয়ে নেন এক ব্যক্তি। অজ্ঞাত পরিচয়ের সেই ব্যক্তিই পরবর্তীকালে অনলাইনে টিস্যুটির ছবি দিয়ে জানিয়ে দেন, উপযুক্ত মূল্যে সেই টিস্যুটি বিক্রি করতে রাজি তিনি। মূল্যও তিনি নিজেই নির্ধারণ করে দিয়েছেন।

টিস্যুটি দিয়ে মেসি যতই নিজের চোখ মুছে থাকুন না কেন, তা-ই বলে এমন অবিশ্বাস্য দাম? যদিও নিজের পোস্টে এর সাফাইও দিয়েছেন তিনি। তার বক্তব্য- টিস্যুটিতে মেসির জিনগত উপাদান লেগে আছে। আর চাইলে যে কোনো বিজ্ঞানী সেটি দিয়েই মেসির ক্লোন তৈরি করতে পারবেন!

মেসি যে ক্যাটালান ক্লাব থেকে বিদায় নিচ্ছেন, খবরটি অনেক আগেই পাওয়া গিয়েছিল। যার ধারাবাহিকতায় এরপর আনুষ্ঠানিকভাবে ক্লাব ছাড়তে হয় তাকে। যে ক্লাবে ছোট থেকে বড় হয়ে উঠেছেন, সেই পরিবারকে বিদায় জানানোর সময় ঠিক কী বলবেন এলএম টেন? মূলত তা শোনার জন্যই অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিলেন ক্লাব সদস্য, সতীর্থসহ মেসির অগণিত ভক্ত।

ছয়বার ব্যালন ডি অর জয়ী মেসি কিছু বলার আগেই কেঁদে ফেলেন। এরপর টিস্যু বের করে চোখ মুছতে মুছতেই সকলের সামনে নিজের বক্তব্য রাখেন। বাচ্চার মতো তার কান্নাই যেন বলে বার বার দিচ্ছিল, বার্সার জার্সি আর কখনোই পরা হবে না তার। এবার সেই অশ্রুমোছা টিস্যুও মেসির মতোই ‘কীর্তি’ গড়ার অপেক্ষাতে রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     সম্প্রতি প্রকাশিত আরো সংবাদ