আজ ২০শে শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ৪ঠা আগস্ট, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

বিধিনিষেধ আরো বাড়বে কিনা, জানালেন নৌপ্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক.
নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, আগামী ১৪ তারিখ পর্যন্ত কঠোর বিধিনিষেধের সময়সীমা আছে। যেহেতু আমাদের টেকনিক্যাল- পরামর্শক কমিটি আছে, তারা যদি মনে করেন বিধিনিষেধ এগিয়ে নেয়া দরকার, তাহলে এগিয়ে নিতে হবে। তবে সবকিছুই নির্ভর করছে পরিস্থিতির ওপর।
রোববার (১১ জুলাই) বিকেলে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে নৌ-সেক্টরে করোনাভাইরাসের টিকা দেয়ার বিষয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন নৌপ্রতিমন্ত্রী।

কোরবানি ঈদ উপলক্ষে চলমান কঠোর বিধিনিষেধ শিথিল করে গণপরিবহন চলবে কি-না সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, একটা কথা বারবার বলছি, যদি আমরা বেঁচে থাকি তাহলে জীবনে ঈদ অনেকবার আসবে। বর্তমান অবস্থা থেকে বের হতেই কঠোর বিধিনিষেধ দেয়া হয়েছে, এটা সবার মানা উচিত।

তিনি আরো বলেন, বিধিনিষেধ চলমান থাকলে গণপরিবহন চলাচলের কোনো সুযোগ নেই। আর বিধিনিষেধ যদি প্রত্যাহার হয় সেটা কীভাবে প্রত্যাহার হবে, যদি সীমিত আকারে হয় সীমিত আকারেই চলবে। যদি পুরোপুরি উঠে যায় পুরোপুরিই চলবে। আমার মনে হয়, পরিস্থিতি যা আছে সেখানে আমরা পুরোপুরি স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যাওয়ার মতো অবস্থায় পৌঁছাতে পারিনি।

বিধিনিষেধের মধ্যেও ভিড় দেখা গেছে- তাদের নিভৃত করার জন্য কোনো উদ্যোগ নেবেন কি-না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ফেরিতে মানুষ চলে যাচ্ছে, সেখানে ব্যাপক সমাগম হচ্ছে। আমাদের গণতান্ত্রিক দেশ, আমরা তো এই মানুষগুলোর ওপর আক্রমণাত্মক হতে পারি না। পরিস্থিতি বিবেচনায় স্থানীয় প্রশাসন যে সিদ্ধান্ত নেয়া দরকার সেটিই নিচ্ছে। এর বাইরে আমাদের একটি বিষয়ই বলার আছে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য এবং সরকারের বিধিনিষেধ মানার জন্য। এটাকে ঘিরে কোনো রাজনৈতিক বক্তব্য না দেয়ার জন্য আমি সবার প্রতি অনুরোধ জানাব।

ঈদে ফেরি চলাচলের বিষয়ে তিনি বলেন, আমরা ফেরি বন্ধ করিনি, এখনো চালু আছে। তবে এটাকে স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে, অ্যাম্বুলেন্স, সাংবাদিক, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং কিছু বিশেষ প্রয়োজনে ব্যবহার করছি। আমরা কিন্তু সরকারের বিধিনিষেধের বিষয় কঠোর ছিলাম। সর্বসাধারণকে বিধিনিষেধ মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছি।

‘অনেকগুলো দেশের মধ্যে আমরাও রেড জোনে আছি, দীর্ঘদিন এভাবে থাকলে আমরা পিছিয়ে যাব। তাই সব নাগরিকের সচেতন হতে হবে। আমরা জানি ঘরে থাকা কঠিন, যুদ্ধক্ষেত্রেও মানুষ ঘরে থাকতে চায় না। কিন্তু এটাও একটা যুদ্ধ, এটাকে না মানায় কিন্তু পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে গেছে। গ্রামে অনেকে করোনা টেস্ট করছে না, অনেকে মারা যাচ্ছেন আমরা জানতেই পারছি না। এটি এখন ছড়িয়ে গেছে। সেজন্য সরকারঘোষিত বিধিনিষেধ মেনে চললে আমরা তার সুফল পাব, গতবারও কিন্তু সেটি পেয়েছি’ বলেন নৌপ্রতিমন্ত্রী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     সম্প্রতি প্রকাশিত আরো সংবাদ