আজ ২২শে ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ৭ই মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

সোনারগাঁয়ে সাংবাদিক দম্পতির সবজি বাগান

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি
শুধু ইট কাঠের নাগরিক সভ্যতার শহরগুলো নয় গ্রাম থেকেও দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে সবুজ প্রকৃতি। কিন্তু মানুষ তার শিকড়কে সহজে ভুলতে পারে না। সবুজে ভরা গ্রাম বাংলায় বেড়ে ওঠা নাগরিক সমাজের একটা অংশ সবুজকে ধরে রাখতে চায় আবাসস্থলে।

সৌখিন মানুষরা তাদের ঘরবাড়িতে সবুজ প্রকৃতিকে ধরে রাখার জন্য একান্ত নিজস্ব ভাবনা আর প্রচেষ্টায় বসতবাড়িতে তৈরি করছে সবজি বাগান। সময়ের সাথে এ বাগান এখন আর সৌখিনতায় আটকে নেই। নিরাপদ সবজি দিয়ে পারিবারিক পুষ্টি চাহিদাপূরণ, পারিবারিক বিনোদন এবং অবসর কাটানোর এক মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে বাগানগুলো। নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার সনমান্দী গ্রামের মৃত ডা. মোহাম্মদ আলীর ছেলে ও ছেলের বউ এমনই এক নয়নাভিরাম বসতবাড়ির সামান্য জায়গাতেই গড়ে তুলেছেন অন নিউজ টিভির সাংবাদিক ও দৈনিক অধিকার পএিকার সোনারগাঁ প্রতিনিধি নজরুল ইসলাম শুভ সাথী’র দম্পতির সবজি বাগান।

এ দম্পতি তাদের বসতবাড়ির জমিতে ফুল-ফসলের এ আকর্ষণীয় বাগান গড়ে তুলে নিজেদের পারিবারিক চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি প্রতিবেশী ও আত্মীয়-স্বজনদের মাঝেও বিষমুক্ত সতেজ ফলমূল-শাক-সবজি বিতরণ করে থাকেন। নিজ বাড়ির আঙিনায়ও ফুল-ফল ও সবজির বাগান গড়ে তুলেছেন। এছাড়া পুকুরে নানা জাতের মাছ চাষ ও পুকুরপাড়ের চারপাশে সবজি বাগান তৈরি করে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। অনেকেই তাদের এ বাগানের সৌন্দর্য অবগাহন করতে যান।

এছাড়া জমির এক পাশে নানা জাতের কবুতরের খামার,বাড়ির আঙ্গিনায় রয়েছে দেশী মুরগির ও হাসের খামার সব মিলিয়ে বাড়িটি যেন মাছ-মুরগি, ফুল-ফল ও ফসলে ঘেরা পরিপূর্ণ এক কৃষক দম্পতির বাড়ি। যদিও তারা সচেতন সুশিক্ষিত এক আধুনিক দম্পতি তদুপরি কৃষি ও সবুজ প্রকৃতি প্রেম তাদের সেই পরিচিতি ভিন্ন রূপ করে দিয়েছে।

এ প্রসঙ্গে এক ছেলে ও এক মেয়ের জনক-জননী সাংবাদিক নজরুল ইসলাম শুভ ও সাথী আক্তার দম্পতি জানান, শৈশবকাল থেকেই তারা কৃষি ও সবুজ প্রকৃতির নৈসর্গিক সৌন্দর্যের প্রতি অনুরক্ত। আর সেই প্রকৃতি প্রেমই তাদেরকে বাড়ির আঙ্গিনায় ফুল-ফল ও ফসলের বাগান এবং মাছ-মুরগি ও হাস-কবুতরের খামার গড়ে তুলতে অনুপ্রাণিত করেছে।

আর এই সাংবাদিক দম্পতির কৃষি বাগান দেখতে আসেন, সোনারগাঁ উপজেলা কৃষি অফিসার মনিরা আক্তার,উপ-সহকারি উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা আবু নাসের উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা মো. মোস্তাফিজ রহমান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     সম্প্রতি প্রকাশিত আরো সংবাদ