আজ ৮ই আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২২শে জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

ভ্যাকসিন কার্যক্রমে আপ্যায়ন ব্যয় ৯০ কোটি টাকা

ঢাকা প্রতিনিধি :

করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন প্রয়োগ কার্যক্রমে আপ্যায়ন ব্যয় হিসেবে প্রায় ৯০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়।

বুধবার (০৪ ফেব্রুয়ারি) স্বাস্থ্য বিভাগের সচিবকে পাঠানো অর্থ বিভাগের এক চিঠিতে বরাদ্দের এ বিষয়টি জানানো হয়।

অর্থ বিভাগের (বাজেট অনুবিভাগ-১) এর যুগ্মসচিব ড. মোহাস্মদ আবু ইউসুফ স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়েছে, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের প্রস্তাবের প্রক্ষিতে কোভিড-১৯ প্রতিরোধক ভ্যাকসিন প্রয়োগ সংশ্লিষ্ট আপ্যায়ন ব্যয় বাবদ ৮৯ কোটি ৮৫ লাখ ৬০ হাজার টাকা চলতি অর্থবছরের অর্থ বিভাগের বাজেটে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলা তহবিল থেকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অনূকুলে আপ্যায়ন ব্যয় কোডে বরাদ্দ দিতে সম্মতি দেওয়া হলো।

এর আগে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর তাদের প্রস্তাবে আপ্যায়ন ব্যয়ের জন্য ৮৯ কোটি ৮৫ লাখ ৬০ হাজার টাকা এবং প্রচার ও বিজ্ঞাপন ব্যয়ের জন্য ১৪ কোটি ১৭ লাখ ৩৮ হাজার টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করে।

তবে প্রচার ও বিজ্ঞাপন খাতে কোনো বরাদ্দ দেওয়া হয়নি। অর্থ বিভাগ তাদের চিঠিতে প্রচার ও বিজ্ঞাপনের ব্যয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিজস্ব বাজেট থেকে ব্যয় করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে।

আপ্যায়ন ব্যয় খাতে বরাদ্দের ক্ষেত্রে কিছু শর্তের কথা চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে। শর্তগুলো হলো— আপ্যায়ন ব্যয় খাতে বরাদ্দকৃত অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে সরকারি প্রযোজ্য আর্থিক বিধিবিধান যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে।

অব্যয়িত অর্থ যথাযথভাবে সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হবে। অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে দ্য পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অ্যাক্ট-২০০৬ এবং দ্য পাবলিক প্রকিউরমেন্ট রুলস-২০০৮ অনুসরণসহ যাবতীয় আর্থিক বিধি-বিধান যথাযথভাবে পালন করতে হবে এবং এই অর্থ চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে সংশ্লিষ্ট কোডে সমন্বয় করতে হবে।

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের তৈরি ভ্যাকসিন নিতে ভারতীয় উৎপাদক সেরাম ইনস্টিটিউটের সঙ্গে বাংলাদেশের বেক্সিমকো ফার্মা ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় গত বছরের ৫ নভেম্বর চুক্তি স্বাক্ষর করে। চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশকে অক্সফোর্ডের তিন কোটি ডোজ ভ্যাকসিন সরবরাহ করবে সেরাম ইনস্টিটিউট।

ভ্যাকসিনের জন্য স্বাস্থ্য অধিদফতর (ডিজিএইচএস) ১ হাজার ৫৮৯ কোটি ৪৪ লাখ ৭৫ হাজার টাকা বরাদ্দ রাখার প্রস্তাব করে। এর আগে ভ্যাকসিন কিনতে প্রস্তাবিত খরচের প্রথম ধাপে ৭৩৫ কোটি ৭৬ লাখ ৮২ হাজার টাকা এবং দ্বিতীয় ধাপে ৭১৯ কোটি ৩১ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয় অর্থ মন্ত্রণালয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     সম্প্রতি প্রকাশিত আরো সংবাদ