আজ ১২ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

তৈমুর বড় হয়ে অভিনেতা হবে, আব্রাম খান জয় কী হবে?

Spread the love

বিনোদন ডেস্ক:

তারকা দম্পতির সন্তান যেন জন্মের পর থেকেই ‘তারকা’ বনে যান। তাদের নিয়ে বাড়তি আগ্রহ থাকে ভক্তকুলের। বলিউড তারকা দম্পতি সাইফ আলি খান-কারিনা কাপুরের পুত্র তৈমুরের জন্মের পর থেকেই তাকে নিয়ে ভক্তদের কৌতূহলের শেষ নেই।

এদিকে বাংলাদেশের তারকা দম্পতি শাকিব খান-অপু বিশ্বাস পুত্র আব্রাম খান জয়। তাকে নিয়েও ভক্তদের বাড়তি কৌতূহল রয়েছে। জন্মসূত্রেই আব্রাম খান জয় তারকা। বলাবাহুল্য দেশের একমাত্র জনপ্রিয় স্টার কিড সে। এর আগে কোনো তারকার সন্তান এতো জনপ্রিয়তা পায়নি। জয়ের নামে রয়েছে ফেসবুক পেজ। সেখানে লাখ লাখ মানুষ তাকে অনুসরণ করে। সিনেমাভিত্তিক গ্রুপগুলোতেও তাকে নিয়ে চর্চা হয় নিয়মিত।

তৈমুরের বয়স তিন বছর। বড় হয়ে পুত্র তৈমুর অভিনেতা হবেন বলে মনে করেন সাইফ আলি খান। সম্প্রতি এই অভিনেতা হাজির হয়েছিলেন জ্যাকলিন ফার্নান্দেজ এবং আমন্ডা কার্নির উপস্থাপনায় একটি পডকাস্ট শো-তে। সেখানে তিনি এ কথা বলেন। যে কারণে ভক্তদের মনে প্রশ্ন জেগেছে- জয় বড় হয়ে কী হবে?

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে অপু বিশ্বাস বলেন, আমি চাই আমার সন্তান সুশিক্ষায় মানুষের মতো মানুষ হোক। যেন পৃথিবীতে আলো ছড়াতে পারে। একজন সচেতন মা হিসেবে আমি তার উপর আমার কোনো চাওয়া চাপিয়ে দিতে চাই না। বড় হয়ে জয় নিজেই সিদ্ধান্ত নেবে সে কী হবে। তারপরও মনে মনে একটা ইচ্ছে আছে। এই ইচ্ছেটার কথা জয়কে বলবো। তার যদি ভালো লাগে তবেই সে আমার ইচ্ছে পূরণ করবে, না হলে নয়।

অপু আরো বলেন, তবে এটি আমার ইচ্ছে বা স্বপ্ন নয়। এটা আমার সবচেয়ে প্রিয় মানুষ মায়ের চাওয়া। মা সবসময় চাইতেন জয় বড় হয়ে বিখ্যাত ডাক্তার হবে। মা যেহেতু হার্টের রোগী ছিলেন তাই তিনি চাইতেন জয় দেবি শেঠির মতো জগৎবিখ্যাত ডাক্তার হোক। ডাক্তার হয়ে মানুষের সেবা করুক। মা এই কথাটা প্রায়ই বলতেন। তখনও জানতাম না মা এত তাড়াতাড়ি আমাদের ছেড়ে চলে যাবেন। মায়ের এই স্বপ্নের কথা আমি জয়কে বলবো।

এদিকে শাকিব খান এবারের জন্মদিনে জয়কে নিয়ে তার প্রত্যাশা ব্যক্ত করে বলেন, আমার এই ছোট্ট জীবনে ভালোবাসা, সম্মান, সম্মাননা সবকিছু পেয়েছি। আলহামদুলিল্লাহ এখন পর্যন্ত আমার জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন তুমি- আমার ‘জয়’ বাবা। ইনশাআল্লাহ একদিন তুমি আমার চেয়েও সফল এবং অনেক ভালো একজন মানুষ হবে। ছাড়িয়ে যাবে বাবার স্বপ্নের সকল সীমানা।

২০১৬ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর অপুর কোলজুড়ে আসে জয়। সে বসুন্ধরার ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের শিক্ষার্থী। পড়াশোনাতেও যথেষ্ট মনোযোগী সে। এরই মধ্যে স্কুলের সহপাঠী ও অভিভাবকদের দৃষ্টি কেড়েছে জয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     সম্প্রতি প্রকাশিত আরো সংবাদ