রবিবার , ২৯ জানুয়ারি ২০২৩ | ৩রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ ও দুর্নীতি
  2. অর্থনীতি
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আরও
  5. ইসলাম
  6. করোনাভাইরাস
  7. খাদ্য
  8. খেলাধুলা
  9. জাতীয়
  10. বানিজ্য
  11. বিনোদন
  12. রাজনীতি
  13. লাইফস্টাইল
  14. শিক্ষা
  15. সর্বশেষ

কেক-প্যাটিস খাওয়ার পর বাবার কিছু না হলেও মারা গেছে দুই মেয়ে

প্রতিবেদক
tulpar
জানুয়ারি ২৯, ২০২৩ ১:০১ অপরাহ্ণ

গাজীপুর প্রতিনিধি

গাজীপুরে কেক ও প্যাটিস খেয়ে দুই বোনে মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আরেক শিশু অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। রবিবার (২৯ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মহানগরের সালনা এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে।

নিহত শিশুরা হলো- আশামনি (৬) ও তার ছোট বোন আলিফা আক্তার (দেড় বছর)। তারা গাজীপুর মহানগরের সদর থানাধীন সালনা ইপসা গেট এলাকার আশরাফুল ইসলামের মেয়ে। আশরাফুল ইসলাম স্থানীয় এরশাদের বাড়িতে স্ত্রী ও সন্তানদেরকে নিয়ে ভাড়া বাসায় বসবাস করেন। তাদের লাশ গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে রয়েছে।

চিকিৎসাধীন শিশু সিয়াম (৬ মাস) হিরা মিয়ার ছেলে। সে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। সেও ওই একই বাড়িতে ভাড়ায় থাকে।

গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক রফিকুল ইসলাম জানান, মৃত অবস্থায় শিশু দুটিকে হাসপাতালে আনা হয়েছিল। খাদ্যে বিষক্রিয়ায় দুটি শিশুর মৃত্যু হতে পারে। তবে ময়নাতদন্ত ছাড়া মৃত্যুর প্রকৃত কারণ বলা ঠিক হবে না। সিয়াম আশঙ্কামুক্ত রয়েছে।

মৃতদের বাবা আশরাফুল ইসলাম বলেন, শনিবার সকালে বঙ্গবন্ধু কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইপসা) গেট এলাকায় একটি দোকান থেকে কেনা প্যাটিস এবং কেক তারাসহ আমিও খাই। কিছুক্ষণের মধ্যেই পর্যায়ক্রমে শিশু তিনটি অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে তাদেরকে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আমার দুই মেয়েকে মৃত ঘোষণা করেন। সিয়ামকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে আমার কোনও সমস্যা হয়নি।

গাজীপুর সদর থানার ওসি জিয়াউল ইসলাম বলেন, এখনও হাসপাতালে আছি। আমরা বিষয়টি এখনও ট্রেস করতে পারছি না। শিশুদের সঙ্গে তাদের বাবা কেক ও প্যাটিস খেয়েছে। বাবার কোনও সমস্যা হয়নি, শিশুদের কেন হলো তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। প্রকৃত ঘটনা বের করতে কিছু সময় লাগবে।

সর্বশেষ - Uncategorized