বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৯, ০১:৩৭ পূর্বাহ্ন

ছাত্রদলের নেতৃত্বে খোকন-শ্যামল

রাজনীতি ডেস্ক :
বিএনপির ছাত্র সংগঠন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নতুন সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন ফজলুর রহমান খোকন; আর সাধারণ সম্পাদক পদে জয় পেয়েছেন ইকবাল হোসেন শ্যামল। বৃহস্পতিবার ভোররাত সাড়ে ৪টার দিকে নির্ভরযোগ্য সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

দীর্ঘ ২৭ বছর পর সংগঠনটির শীর্ষ দুই নেতা নির্বাচন করতে বুধবার দিনভর নানা নাটকীয়তার পর রাত ৮টার দিকে গোপন ব্যালটে ভোট দেওয়া শুরু করেন কাউন্সিলররা।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের রাজধানীর শাহজাহানপুরের বাসায় দুটি বুথে এ ভোটগ্রহণ চলে রাত সাড়ে ১২টা পর্যন্ত।

সংগঠনটির সারাদেশের ১১৮টি সাংগঠনিক ইউনিটের ৫৩৩ জন কাউন্সিলর ছিলেন ভোটার।
জানা গেছে, তাদের মধ্যে ভোট দিয়েছেন ৪৮১ জন। এর মধ্যে ১৮৬ ভোট পেয়ে ছাত্রদলের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন খোকন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কাজী রওনুকুল ইসলাম শ্রাবণ পেয়েছেন ১৭৮।

অন্যদিকে ১৩৯ ভোট পেয়ে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন শ্যামল। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাকিরুল ইসলাম জাকির পেয়েছেন ৭৮।

জানা গেছে, নবনির্বাচিত সভাপতি খোকনের বাড়ি বগুড়া জেলায়। আর সাধারণ সম্পাদক শ্যামলের বাড়ি নরসিংদীতে।

গত ১৪ সেপ্টেম্বর ছাত্রদলের ষষ্ঠ এই কাউন্সিল হওয়ার কথা ছিল সরাসরি ভোটের মাধ্যমে।

গত ১২ সেপ্টেম্বর ঢাকার চতুর্থ জজ আদালত বিলুপ্ত কমিটির সহধর্ম বিষয়ক সম্পাদক আমান উল্লাহর দায়ের মামলায় স্থগিতাদেশ দেয়। একইসঙ্গে আদালত বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ ১০ জনকে কারণ দর্শানোর নোটিস দেয়। এমন পরিস্থিতিতে ছাত্রদলের কাউন্সিল স্থগিত করা হয়।
গত মঙ্গলবার সারাদেশের কাউন্সিলরদের বুধবার বিকেল ৫টার মধ্যে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আসতে বলা হয়। বুধবার দুপুর থেকেই কাউন্সিলররা একে একে জড়ো হতে থাকেন বিএনপির প্রধান কার্যালয়ের সামনে।

এ সময় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদের প্রার্থীরা নিজ নিজ সমর্থকদের নিয়ে ‘শোডাউন’ দেন। কার্যালয়ের প্রবেশ পথে দুই সারি করে প্রার্থীদের সমর্থক নেতাকর্মীরা কাউন্সিলরদের স্বাগত জানান।

পরে কার্যালয়ের তৃতীয় তলায় কনফারেন্স রুমে প্রার্থীদের নিয়ে বসানো হয়। গুঞ্জন ছড়িয়ে পরে সংগঠনটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদের প্রার্থী নির্বাচনে যে কোনো সময়ে ভোটগ্রহণ হতে পারে। পরে সিদ্ধান্ত হয় মির্জা আব্বাসের শাহজাহানপুরের বাসায় ভোট হবে।

সভাপতি প্রার্থীরা ছিলেন : ফজলুর রহমান খোকন, হাফিজুর রহমান, মামুন বিল্লাহ (মামুন খান), সাজিদ হাসান বাবু, মাহমুদুল হাসান বাপ্পি, রিয়াদ মো. তানভীর রেজা রুবেল, মো. এরশাদ খান, মাহমুদুল আলম সরদার ও কাজী রওনুকুল ইসলাম শ্রাবণ।

সাধারণ সম্পাদক প্রার্থীরা ছিলেন : মো. শাহ নেওয়াজ, আমিনুর রহমান আমিন, জাকিরুল ইসলাম জাকির, তানজিল হাসান, কারিমুল হাই নাঈম, মাজেদুল ইসলাম রুমন, ডালিয়া রহমান, শেখ আবু তাহের, সাদিকুর রহমান, কেএম সাখাওয়াত হোসাইন, সিরাজুল ইসলাম, ইকবাল হোসেন শ্যামল, জুয়েল হাওলাদার, মুন্সি আনিসুর রহমান, মিজানুর রহমান শীরফ, শেখ মো. মসিউর রহমান রনি, মোস্তাফিজুর রহমান, সোহেল রানা ও কাজী মাজহারুল ইসলাম।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     More News Of This Category
themesbatulpar4545
%d bloggers like this: