সোমবার, ২২ জুলাই ২০১৯, ০৭:৩৭ পূর্বাহ্ন

ঝোড়ো ফিফটির পর সৌম্যর বিদায়

ক্রীড়া ডেস্ক :: ওয়ালটন ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজের ফাইনালে ২৪ ওভারে বাংলাদেশের লক্ষ্য ২১০ রান।

স্কোর: ১২ ওভারে ১১২/৩। ওয়েস্ট ইন্ডিজ: ২৪ ওভারে ১৫২/১।

৬৩ বলে ১০০

সৌম্য সরকারের ঝোড়ো ফিফটিতে ১০ ওভার ৩ বলেই দলীয় শতরান পূর্ণ করেছে বাংলাদেশ। ১১ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২ উইকেটে ১০২ রান। সৌম্য ৪০ বলে ৬৬ ও মুশফিকুর রহিম ১১ বলে ১৬ রানে অপরাজিত আছেন। ১৩ ওভার থেকে বাংলাদেশকে করতে হবে আরো ১০৮ রান।

সৌম্যর ঝোড়ো ফিফটি

আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে ফিফটি করেছেন সৌম্য সরকার। মাত্র ২৭ বলে পঞ্চাশ স্পর্শ করতে ৮টি চারের পাশাপাশি ২টি ছক্কা হাঁকান বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান। ওয়ানডেতে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানের চতুর্থ দ্রুততম ফিফটি এটি।

টিকলেন না সাব্বির

তামিম ইকবালের বিদায়ের পর খুব দ্রতই ফিরেছেন ব্যাটিং অর্ডারে তিনে উঠে আসা সাব্বির রহমান। শ্যানন গ্যাব্রিয়েলের ব্যাক অফ লেংথের বলে এলবিডব্লিউ হয়েছেন ডানহাতি ব্যাটসম্যান (০)।

গ্যাব্রিয়েলের চার বলের মধ্যে তামিম ও সাব্বিরের উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ তখন বেশ চাপেই। ৬ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২ উইকেটে ৬০ রান। সৌম্য ২১ বলে ৪০ ও মাহমুদউল্লাহ শূন্য রানে অপরাজিত আছেন।

মাথা গরম করে ফিরলেন তামিম

তামিম ইকবাল শুরুটা করেছিলেন দেখেশুনেই। ষষ্ঠ ওভারে শ্যানন গ্যাব্রিয়েলের প্রথম দুই বলে বেরিয়ে এসে মারেন টানা দুই চার। ডানহাতি পেসারের পরের বল আবার বেরিয়ে এসে খেলতে চেয়েছিলেন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। কিন্তু বুক উচ্চাতার বলে টাইমিং হয়নি এবার। বল উঠে যায় আকাশে। মিড অফে ক্যাচ নেন জেসন হোল্ডার।

১৩ বলে ২ চারে তামিম করেন ১৮ রান। তার বিদায়ের সময় ৫ ওভার ৩ বলে বাংলাদেশের সংগ্রহ ১ উইকেটে ৫৯ রান।

পাঁচ ওভারেই পঞ্চাশ

সৌম্য সরকারের আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে উড়ন্ত সূচনা পেয়েছে বাংলাদেশ। পাঁচ ওভারেই পঞ্চাশ পেরিয়েছে বাংলাদেশের স্কোর।

৫ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ বিনা উইকেটে ৫১ রান। সৌম্য ২০ বলে ৩৯ ও তামিম ইকবাল ১০ বলে ১০ রানে অপরাজিত আছেন।

২৪ ওভারে বাংলাদেশের লক্ষ্য ২১০

বৃষ্টির কারণে ২৪ ওভারে নেমে আসা ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১ উইকেটে করেছে ১৫২ রান। বৃষ্টিতে খেলা বন্ধ হওয়ার আগে ২০ ওভার ১ বলে তারা করেছিল বিনা উইকেটে ১৩১ রান। বৃষ্টির পর ৩ ওভার ৫ বলে ১ উইকেট হারিয়ে করেছে ২১ রান।২৪ ওভারে বাংলাদেশের সামনে লক্ষ্য দাঁড়িয়েছে ২১০ রান।

হোপকে ফেরালেন মিরাজ

শাই হোপকে ফিরিয়ে ১৪৪ রানের উদ্বোধনী জুটি ভেঙেছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। অফ স্পিনারকে স্লগ সুইপে উড়াতে চেয়েছিলেন ডানহাতি ব্যাটসম্যান। লং অনে দুইবারের চেষ্টায় দারুণ এক ক্যাচ নেন মোসাদ্দেক হোসেন। বল ধরার পর বাউন্ডারির বাইরে চলে যাচ্ছিলেন বলে বলটা ওপরে ছুড়ে দেন মোসাদ্দেক। ভেতরে ফিরে এসে আবার তালুবন্দি করেন।

৬৪ বলে ৬ চার ও ৩ ছক্কায় ৭৪ রান করেন হোপ। তার বিদায়ের সময় ২৩ ওভার ৪ বলে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সংগ্রহ ১ উইকেটে ১৪৪ রান। ৬৪ রানে অপরাজিত আছেন সুনীল অ্যামব্রিস। নতুন ব্যাটসম্যান ড্যারেন ব্রাভো।

ম্যাচ এখন ২৪ ওভারের

মাঠ পর্যবেক্ষণের পর সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন আম্পায়াররা। স্থানীয় সময় বিকেল সাড়ে পাঁচটায় (বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে দশটা) শুরু হবে খেলা। বৃষ্টিতে দীর্ঘ সময় খেলা বন্ধ থাকায় ম্যাচের দৈর্ঘ্য কমে এসেছে ২৪ ওভারে। খেলা বন্ধ হওয়ার আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২০ ওভার ১ বলে করেছিল বিনা উইকেটে ১৩১ রান। এখন তাদের ইনিংসে বাকি আছে ৩ ওভার ৫ বল। বাংলাদেশের সামনে লক্ষ্য ঠিক হবে এরপরই।

সরানো হয়েছে ত্রিপল

বৃষ্টি থেমে এখন হালকা রোদের দেখা মিলেছে মালাহাইডে। এরই মধ্যে উইকেটের ত্রিপলও সরিয়ে ফেলা হয়েছে। স্থানীয় সময় ৪টা ৪০ মিনিটে মাঠ পর্যবেক্ষণ করার কথা রয়েছে আম্পায়ারদের।

ছবি: উদয় হাকিম, আয়ারল্যান্ড থেকে

বৃষ্টি থেমেছে

স্থানীয় সময় বিকেল সাড়ে তিনটার (বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে আটটা) দিকে আবার বৃষ্টি থেমেছে মালাহাইডে। ৪টা ১০ মিনিটে মাঠ পর্যবেক্ষণ করবেন আম্পায়াররা। বৃষ্টিতে খেলা বন্ধ হওয়ার পর এরই মধ্যে পেরিয়ে গেছে সাড়ে তিন ঘণ্টারও বেশি সময়।

চলছে বৃষ্টির লুকোচুরি

ডাবলিনের মালাহাইডে দুই ঘণ্টার বেশি সময় পর থেমেছিল বৃষ্টি। স্থানীয় সময় বিকেল তিনটার (বাংলাদেশ সময় রাত আটটা) একটু আগে মাঠ পর্যবেক্ষণ করতে নেমেছিলেন আম্পায়াররা। কিন্তু এরপরই আবার বৃষ্টি নামে মালাহাইডে। এই মুহূর্তে উইকেট ত্রিপলে ঢাকা রয়েছে।

খেলা না হলে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন

বৃষ্টির কারণে এক ঘণ্টা ধরে খেলা বন্ধ আছে। ফাইনালের জন্য কোনো রিজার্ভ ডে নেই। আজ যদি কোনো কারণে ম্যাচের ফল না হয়, তাহলে প্রথম পর্বে সবচেয়ে ভালো ফলাফলের কারণে চ্যাম্পিয়ন হবে বাংলাদেশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ক্রিকেট আয়ারল্যান্ড। দ্বিপক্ষীয় সিরিজের বাইরে বাংলাদেশ কখনো কোনো টুর্নামেন্ট জিততে পারেনি।

বৃষ্টির বাগড়া

সকাল থেকেই ডাবলিনের মালাহাইডে আকাশ ছিল মেঘে ঢাকা। ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইনিংসের ২১তম ওভারে মালাহাইডে নেমেছে বৃষ্টি। তাতে বাংলাদেশ সময় বিকেল সোয়া পাঁচটার (স্থানীয় সময় দুপুর সোয়া বারোটা) দিকে বন্ধ হয়ে গেছে খেলা। এই মুহূর্তে উইকেট ত্রিপলে ঢেকে রাখা হয়েছে।

প্রকৃতির আগেই অবশ্য মালাহাইড ক্রিকেট ক্লাব মাঠে বৃষ্টি নামিয়েছিলেন শাই হোপ ও সুনীল অ্যামব্রিস। সেটা চার-ছক্কার বৃষ্টি! এই দুজনের দারুণ ব্যাটিংয়ে ফাইনালে বড় সংগ্রহের ভিত পেয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

বৃষ্টিতে খেলা বন্ধ হওয়ার আগে ২০.১ ওভারে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সংগ্রহ বিনা উইকেটে ১৩১ রান। হোপ ৫৬ বলে ৬ চার ও ৩ ছক্কায় ৬৮ ও অ্যামব্রিস ৬৫ বলে ৬ চারে ৫৯ রানে অপরাজিত আছেন। মুস্তাফিজুর রহমান তার প্রথম ৩ ওভারে দিয়েছেন ৩৬ রান!

ছবি: উদয় হাকিম, আয়ারল্যান্ড থেকে

অ্যামব্রিসের ফিফটি

শাই হোপের পর ফিফটি তুলে নিয়েছেন সুনীল অ্যামব্রিসও। ৬০ বলে পঞ্চাশ পূর্ণ করতে ৪টি চার মারেন ডানহাতি এই ব্যাটসম্যান।

ছক্কায় হোপের ফিফটি, জুটির সেঞ্চুরি

আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে ফিফটি করেছেন শাই হোপ। ৪৮ থেকে বোলার মুস্তাফিজুর রহমানের মাথার ওপর দিয়ে ছক্কা হাঁকিয়ে ফিফটি পূর্ণ করেন ডানহাতি ব্যাটসম্যান। ঠিক ৫০ বলে ফিফটি করতে ৫টি চারের পাশাপাশি ছক্কা হাঁকান ২টি। তার ওই ছক্কায় পূর্ণহয়েছে উদ্বোধনী জুটির সেঞ্চুরিও, ১০৭ বলে।

নিয়মিত পাঁচ বোলারের পাশাপাশি সাব্বির রহমানকে আক্রমণে এনেও ১৮ ওভারের মধ্যে উদ্বোধনী জুটি ভাঙতে পারেনি বাংলাদেশ। ১৮ ওভার শেষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সংগ্রহ বিনা উইকেটে ১০৫ রান। হোপ ৫১ বলে ৫৬ ও সুনীল অ্যামব্রিস ৫৭ বলে ৪৭ রানে অপরাজিত আছেন।

হোপ-অ্যামব্রিস জুটির ফিফটি

উদ্বোধনী জুটিতে ফিফটি পূর্ণ করেছেন শাই হোপ ও সুনীল অ্যামব্রিস। ঠিক ১০ ওভারে স্পর্শ করেছে জুটির পঞ্চাশ। হোপ শুরুটা করেছেন আক্রমণাত্মক। ধীরলয়ে শুরু করেছেন অ্যামব্রিস।

নতুন বলে বোলিং শুরু করেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। অন্য প্রান্তে তার সঙ্গী মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। মাশরাফি নিয়ন্ত্রিত বোলিং করলেও সাইফউদ্দিন ছিলেন কিছুটা খরুচে। পাঁচ ওভারে মাশরাফি দিয়েছেন ২১ রান, সাইফউদ্দিন ২৯।

১০ ওভার শেষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সংগ্রহ বিনা উইকেটে ৫০ রান। হোপ বলের সমান ২৬ রানে ব্যাট করছেন। ৩৪ বলে ২৩ রানে অপরাজিত আছেন অ্যামব্রিস।

বাংলাদেশ দলে চার পরিবর্তন

আয়ারল্যান্ডকে হারানো ম্যাচ থেকে বাংলাদেশ দলে আজ চারটি পরিবর্তন এসেছে। দলে ঢুকেছেন সৌম্য সরকার, মোহাম্মদ মিথুন, মেহেদী হাসান মিরাজ ও মুস্তাফিজুর রহমান। চোটের কারণে নেই সাকিব আল হাসান। বাদ পড়েছেন রুবেল হোসেন, আবু জায়েদ রাহী ও লিটন দাস।

বাংলাদেশ দল

মাশরাফি বিন মুর্তজা (অধিনায়ক), তামিম ইকবাল, সৌম্য সরকার, মুশফিকুর রহিম, মোহাম্মদ মিথুন, মাহমুদউল্লাহ, মোসাদ্দেক হোসেন, সাব্বির রহমান, মেহেদী হাসান মিরাজ, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, মুস্তাফিজুর রহমান।

উইন্ডিজ দলে একটি পরিবর্তন

ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলে আজ একটি পরিবর্তন এসেছে। চোটের কারণে নেই পেসার শেলডন কটরেল। তার জায়গায় ফিরেছেন আরেক পেসার শ্যানন গ্যাব্রিয়েল।

উইন্ডিজ দল

জেসন হোল্ডার (অধিনায়ক), শাই হোপ, সুনীল অ্যামব্রিস, ড্যারেন ব্রাভো, রোস্টন চেজ, জনাথন কার্টার, ফ্যাবিয়ান অ্যালেন, অ্যাশলে নার্স, কেমার রোচ, শ্যানন গ্যাব্রিয়েল, রেমন্ড রাইফার।

ফাইনালে নেই সাকিব

শঙ্কা ছিল আগে থেকেই। শঙ্কাটাই শেষ পর্যন্ত সত্যি হলো। ফাইনালে সাকিব আল হাসানকে পাচ্ছে না বাংলাদেশ। সবশেষ ম্যাচে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ব্যাটিংয়ের সময় পিঠে ব্যথা নিয়ে মাঠ ছেড়েছিলেন এই অলরাউন্ডার।

টস

টুর্নামেন্টে প্রথমবারের মতো টস জিতলেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। বাংলাদেশ অধিনায়ক বেছে নিলেন আগে বোলিং। ডাবলিনের মালাহাইড ক্রিকেট ক্লাব মাঠে ম্যাচ শুরু বাংলাদেশ সময় বিকেল পৌনে চারটায়।

আবার শিরোপার হাতছানি

বাংলাদেশ ফাইনাল জিততে পারে না- এ যেন এক অলিখিত নিয়ম হয়ে গেছে! দ্বিপক্ষীয় সিরিজের বাইরে বাংলাদেশ যে এখনো কোনো শিরোপা জিততে পারেনি। এর আগে ছয়টি ত্রিদেশীয় কিংবা বহুজাতিক আসরের ফাইনাল খেলেও খালি হাতে ফিরতে হয়েছে। আজ ত্রিদেশীয় সিরিজের আরেকটি ফাইনাল খেলতে নামছে বাংলাদেশ। প্রথম শিরোপা হাতছানি দিয়ে ডাকছে আবার।

আগের ছয় ফাইনালের তিনটি ছিল এশিয়া কাপে, বাকি তিনটি ত্রিদেশীয় সিরিজে। যার মধ্যে চারটি ছিল ওয়ানডে ফরম্যাটে, দুটি টি-টোয়েন্টিতে। ছয় ফাইনালের তিনটিতে বাংলাদেশ হেরেছে শেষ বলে। আর সব ফাইনালেই বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ছিল এশিয়ার তিন দল ভারত, পাকিস্তান কিংবা শ্রীলঙ্কার কেউ না কেউ।

এবার প্রতিপক্ষ ওয়েস্ট ইন্ডিজ, যাদের ত্রিদেশীয় সিরিজে প্রথম পর্বে দুবারের দেখায় দুবারই স্রেফ উড়িয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ। স্বাগতিক আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে একমাত্র ম্যাচেও দাপুটে জয়ে অপরাজিত দল হিসেবে বাংলাদেশ উঠেছে ফাইনালে। এবার ফাইনালে ক্যারিবীয়দের আরেকবার হারিয়ে মাশরাফি-মুশফিকরা প্রথম শিরোপার অপেক্ষার অবসান ঘটাতে পারেন কি না, দেখার এখন সেটিই!

পরিসংখ্যানে বাংলাদেশ-উইন্ডিজ

দুই দল এর আগে ওয়ানডেতে মুখোমুখি হয়েছে ৩৬ বার। এর মধ্যে বাংলাদেশ জিতেছে ১৩টি, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২১টি, বাকি দুই ম্যাচের ফল হয়নি। সবশেষ ছয় ম্যাচের হিসাব করলে বাংলাদেশ জিতেছে পাঁচটি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     More News Of This Category
themesbatulpar4545
%d bloggers like this: