বুধবার, ২২ মে ২০১৯, ০৩:০০ অপরাহ্ন

নার্স তানিয়া হত্যার দ্বিতীয় আসামি বাস হেলপার লালনের স্বীকারোক্তি

শহীদুল ইসলাম পলাশ, সম্পাদক.
কিশোরগঞ্জের মেয়ে ইবনেসিনা মেডিকেল কলেজের সিনিয়র নার্স শাহীনুর আক্তার তানিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলার অন্যতম আসামি নূরুজ্জামান নূরুর ঘটনার দায় স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ার পর মঙ্গলবার মামলার দ্বিতীয় আসামি মো. লালন মিয়াও আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আল মামুনের খাসকামরায় ঘটনার দায় স্বীকার করে এ জবানবন্দি দেয় লালন মিয়া।
মঙ্গলবার দুপুর ২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত প্রায় চার ঘণ্টা লালন মিয়া তানিয়া ধর্ষণ ও হত্যাকা-ের লোমহর্ষক বর্ণনা দেয়। জবানবন্দির পর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এর আগে মো. লালনকে দুপুরে কঠোর গোপনীয়তা ও পুলিশি প্রহরায় আদালতে হাজির করা হয়।
গত ৮ মে নূরুসহ পাঁচজনকে আট দিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ। রিমান্ডের পাঁচ দিনের মাথায় প্রথমে পুলিশ ও পরে আদালতে সবকিছু স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয় নূরু। আজ জবানবন্দি দিল হেলপার লালন। সে গাজীপুরের কাপাসিয়ার বীর উজুলি গ্রামের মৃত আবদুল হামিদের ছেলে।
বাসচালক নূরুজ্জামানের মতো লালনও আদালতে দেওয়া তার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে তানিয়াকে ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনায় তিনজন জড়িত ছিলেন বলে স্বীকার করেছে। সেও ঠিক বাসচালক নূরুজ্জামান নূরুর মতোই জবানবন্দি দিয়েছে।
কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার মাশরুকুর রহমান খালেদ লালনের ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেওয়ার কথা নিশ্চিত করে বলেন, লালনের জবানবন্দিতে মামলার সার্বিক বিষয়টি আরো স্পষ্ট হলো। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
গত সোমবার (৬ মে) রাতে ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরের পিরিজপুর রুটে চলাচলকারী স্বর্ণলতা ভিআইপি পরিবহন লি. এর একটি বাসে ইবনে সিনা হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স (সেবিকা) শাহীনূর আক্তার তানিয়াকে ধর্ষণ শেষে হত্যা করা হয়। তিনি কটিয়াদী উপজেলার লোহাজুরি ইউনিয়নের বাহেরচর গ্রামের মো. গিয়াসউদ্দিনের মেয়ে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     More News Of This Category
themesbatulpar4545
%d bloggers like this: