রবিবার, ১৮ অগাস্ট ২০১৯, ০৩:৩৪ পূর্বাহ্ন

পাট শাক কেনা-বেচা নিয়ে সংঘর্ষ সামাল দিতে পুলিশের অদক্ষতা, ওসি ক্লোজড

হোসেনপুর প্রতিনিধি :
কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে পাট শাক কেনা বেচাকে কেন্দ্র করে ত্রিপীয় সংঘর্ষের ঘটনা সামাল দিতে পুলিশের অদতা, অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগসহ নানা অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগে হোসেনপুর থানার ওসি মো. আবুল হোসেনকে কোজড করা হয়েছে। শনিবার রাতে তাকে পুলিশ লাইনে কোজ করা হয়। এর আগে একই কারণে ঘটনার দিন ৮ মে এসআই রেহানুলকেও পুলিশ লাইনে কোজড করা হয় বিষয়টি জেলার হাসেনপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরাফাতুল ইসলাম নিশ্চিত করেছেন।
এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এলাকায় পাট শাক কেনা বেচাকে কেন্দ্র করে পৌর সদরের নতুন বাজার এলাকায় দুই গ্রামবাসী ও পুলিশের সংঘর্ষ হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে পুলিশ ১১৩ রাউন্ড গুলি, ১১টি টিয়ারসেল ছুঁড়ে ও লাঠিচার্জ করে। ত্রিপীয় এ সংঘর্ষে ছয় পুলিশসহ আহত হয়েছিলেন ৫০ জন। এর মধ্যে পুলিশের ছোড়া রাবার বুলেটবিদ্ধ হয়ে আহত হয় অন্তত ২৩ জন।
ওই রাতের ঘটনার প্রত্যদর্শী নতুন বাজার এলাকার চায়ের দোকানদার হরযত আলী ও বিল্লাল বলেন, দুই গ্রুপের সংঘর্ষের সময় ইট-পাটকেল নিপে ও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে লোকজন যতটুকু আহত হয়েছে তার চেয়ে অনেকগুন বেশি আহত হয়েছে পুলিশের গুলি ও লাঠিচার্জে। শুধু তাই নয়, পুলিশের এলোপাতাড়ি গুলি চালানোও তাদের অবাক করেছে।
এদিকে, পুলিশ ঘটনার পরদিন ৯ মে রাতে ছয় গ্রামের অজ্ঞাত ২৫০০ লোককে আসামি দিয়ে মামলা করায় সমালোচনার ঝড় উঠে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, এ ঘটনায় নিরপরাধ পথচারী ও ব্যবসায়ীরাও ছাড় পাইনি পুলিশের লাঠিচার্জ ও গুলির হাত থেকে। অথচ পুলিশ সাহেবেরচর, চরবিশ্বনাথপুর ও ধূলিহর, পদুরগাতি, কাইছমা ও আড়াইবাড়িয়া গ্রামের আড়াই হাজার লোকের বিরুদ্ধে মামলা করে নিরপরাধ লোকজনকে হয়রানি করছে। এসব অভিযোগ যাচাই-বাছাই করে কিশোরগঞ্জ জেলার হাসেনপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরাফাতুল ইসলাম পুলিশ সুপাররের কাছে জানালে পুলিশ সুপার মাশরুকুর রহমান খালেদ তাদের কোজড করে নেয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     More News Of This Category
themesbatulpar4545
%d bloggers like this: