FaceBook twitter Google plus utube RSS Feed
  

১৮ ডিসেম্বর, ২০১৬ - ২:৩৭ অপরাহ্ণ

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বিএনপির সংলাপ বিকেলে

image

x


রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বিএনপির সংলাপ বিকেলে

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক : নতুন নির্বাচন কমিশন গঠনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সংলাপ করতে বিকেলে বঙ্গভবনে যাচ্ছে বিএনপির একটি প্রতিনিধিদল।

প্রতিনিধিদলে নেতৃত্ব দেবেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের সঙ্গে ওই আলোচনায় খালেদা জিয়ার সঙ্গে তার দলের নীতিনির্ধারকরা থাকবেন।

আগামী ফেব্রুয়ারিতে শেষ হচ্ছে কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশনের মেয়াদ। নতুন যে নির্বাচন কমিশন হবে তার অধীনেই হবে ২০১৯ সালে একাদশতম জাতীয় সংসদ নির্বাচন।

নতুন কমিশন গঠনের জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর পরামর্শ নিতে আজ থেকে আলোচনা শুরু করতে যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ। আজ বিএনপির সঙ্গে ইসি গঠন নিয়ে সংলাপ করবেন তিনি।

এদিকে বঙ্গভবনে যাওয়ার আগে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যাত্রাবিরতি করবেন বিএনপির চেয়ারপারসন। সেখান থেকে সংলাপের জন্য নির্বাচিত প্রতিনিধিদলের অন্য সদস্যদের নিয়ে একসঙ্গে বঙ্গভবনে যাবেন তিনি।

বিএনপির চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান জানিয়েছেন, রোববার বিকেল সাড়ে ৪টায় রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সংলাপের সময় নির্ধারণ রয়েছে। সংলাপে অংশ নিতে বিএনপি নেত্রী বেলা ৩টায় রাজধানীর গুলশানে তার বাসভবন ‘ফিরোজা’ থেকে রওনা দিয়ে নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যাবেন। সেখানে যাত্রাবিরতি শেষে প্রতিনিধিদলের অপর সদস্যদের নিয়ে বঙ্গভবনের উদ্দেশে রওনা দেবেন তিনি।

খালেদা জিয়া ছাড়াও প্রতিনিধিদলে থাকছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, তরিকুল ইসলাম, লে. জে. (অব.) মাহবুবুর রহমান, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান ও আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

এদিকে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠন করবেন বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভী।

বিএনপির এই সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, জনগণের প্রত্যাশা একটি নিরপেক্ষ ও স্বাধীন নির্বাচন কমিশন, যা সরকারের আবরণীয় বা তাদের সোনার খাঁচার মধ্যে পোষা একটা পাখি হবে না। এটা সত্যিকার অর্থেই সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হবে, যে প্রতিষ্ঠান সরকারের রক্তচক্ষু অথবা তাদের অশুভ ইচ্ছাকে ডিফাই করে জনগণের ভোট গ্রহণ নিশ্চিত করবে।

বিএনপির সঙ্গে বৈঠক করার পর রাষ্ট্রপতি পর্যায়ক্রমে ২০ ডিসেম্বর সংসদের প্রধান বিরোধী দল জাতীয় পার্টি, ২১ ডিসেম্বর লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) ও কৃষক-শ্রমিক জনতা লীগ এবং ২২ ডিসেম্বর জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সঙ্গে আলোচনায় বসবেন।

print