FaceBook twitter Google plus utube RSS Feed
  

৩০ জানুয়ারি, ২০১৭ - ৭:২০ অপরাহ্ণ

বঙ্গমাতা ও শেখ হাসিনার নামে বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে

Masud-Rana-Cabinet

x

বঙ্গমাতা ও শেখ হাসিনার নামে বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে

নিজস্ব প্রতিবেদক : বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নামে পৃথক দুটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে। জামালপুরে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং নেত্রকোণায় শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয় নামে বিশ্ববিদ্যালয় দুটি প্রতিষ্ঠা করা হবে।

এজন্য দুটি আইনের খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

সচিবালয়ে সোমবার (৩০ জানুয়ারি) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।

বর্তমানে দেশে ৩৮টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে।

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম প্রেস ব্রিফিংয়ে জানান, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০১৭ ও শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০১৭ এর খসড়া নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইনের বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এ ধরণের অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আইন যেমন হয় এটিও একই রকম গতানুগতিক আইন। এ বিশ্ববিদ্যালয়টি জামালপুরের মেলান্দহে হবে।

তিনি বলেন, শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব ফিসারিজ কলেজ নামে একটি বেসরকারি কলেজ রয়েছে। এ কলেজের ৯ একরের অনেক বড় ক্যাম্পাস আছে, অবকাঠামো আছে। ওটাকে রূপান্তর করে একটি পূর্ণাঙ্গ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় করা হবে।

শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয়টি নেত্রকোণা সদরে হবে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, নেত্রকোণাবাসীর দাবির পরিপ্রেক্ষিতে এ বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রথমে এটিকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রস্তাব করা হয়েছিল পরে জেনারেল বিশ্ববিদ্যালয় করার সিদ্ধান্ত হয়। এখানে প্রযুক্তিও থাকবে।

মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হার বেড়েছে ৩.৩১ শতাংশ

গত বছরের (২০১৬ সাল) চতুর্থ ত্রৈমাসিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) মন্ত্রিসভায় নেওয়া সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের হার ২০১৫ সালের তুলনায় ৩ দশমিক ৩১ শতাংশ বেড়েছে।

২০১৬ সালের ১ অক্টোবর থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মন্ত্রিসভায় নেওয়া সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের হার ৬৮ দশমিক ৯৭ শতাংশ। ২০১৫ সালের একই সময়ে এই হার ছিল ৬৫ দশমিক ৬৬ শতাংশ।

মন্ত্রিসভা বৈঠকে গৃহীত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের বিষয়ে ২০১৬ সালের চতুর্থ ত্রৈমাসিক (অক্টোবর-ডিসেম্বর) প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

বৈঠকে চতুর্থ ত্রৈমাসিক প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন গত ১ অক্টোবর থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ১০টি মন্ত্রিসভার বৈঠক হয়। এতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় ১১৬টি। সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হয়েছে ৮০টি, বাস্তবায়নের হার ৬৮ দশমিক ৯৭ শতাংশ। ৩৬টি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নাধীন রয়েছে।

অপরদিকে ২০১৫ সালের একই সময়ে ১১টি মন্ত্রিসভা বৈঠক হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ওই সময়ে সিদ্ধান্ত হয় ৯৯টি। এরমধ্যে ৬৫টি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হয়। বাস্তবায়নের হার ছিল ৬৫ দশমিক ৬৬ শতাংশ। ৩৪টি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নাধীন রয়েছে।

শফিউল আলম জানান, গত বছরের শেষ তিন মাসে মন্ত্রিসভা বৈঠকে পাঁচটি নীতি বা কর্মকৌশল, আটটি চুক্তি বা সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) অনুমোদিত হয়েছে। এ সময়ে সংসদে আইন পাস হয়েছে ১১টি।

২০১৫ সালের অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত মন্ত্রিসভার বৈঠকে নীতি বা কর্মকৌশল অনুমোদিত হয়েছে তিনটি। চুক্তি বা সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) অনুমোদিত হয়েছে একটি। এ সময়ে সংসদে ১০টি আইন পাস হয়েছে বলেও জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

print