FaceBook twitter Google plus utube RSS Feed
  

১৯ জানুয়ারি, ২০১৬ - ৮:১০ অপরাহ্ণ

তেজগাঁওয়ে কারখানা নয়, মগবাজারে ফ্লাইওভার নির্মাণ দ্রুত

hasina

x

hasinaঢাকা প্রতিনিধি : নগরীর তেজগাঁওয়ে আর নতুন করে কোনো শিল্প কারখানা করা যাবে না। তবে বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য ভবন তৈরি করা যাবে। একই সঙ্গে মগবাজার মৌচাক ফ্লাইওভার প্রকল্পের কাজ দ্রুত শেষ করতে হবে। সব কাজ জুন ২০১৭ সালের মধ্যে সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলানগরের এনইসি কক্ষে একনেক সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ নির্দেশনা দেন। সভা শেষে পরিকল্পনা মন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল তার নিজ কক্ষে এ তথ্য জানান।

একনেক সভায় তেজগাঁও এলাকায় শিল্প কারখানা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এলইডি লাইট(সিকেডি) অ্যাসেমব্লিং প্ল্যান্ট প্রকল্পের চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হলো। তবে তেজগাঁও এলাকায় আর কোনো শিল্প কারখানা তৈরি করা যাবে না। আমরা নতুন নতুন ইকোনোমিক
জোন করে দিচ্ছি। এসব স্থানে শিল্প কারখানা নির্মাণ করতে হবে।

তেজগাঁও-পান্থপথ লিংক রোড-এফডিসি গেটের পরিবর্তে সোনারগাঁও হোটেল পর্যন্ত ৪৫০ মিটার ফ্লাইওভার নির্মাণ করা হবে। সোনারগাঁও হোটেল পর্যন্ত যাচ্ছে ফ্লাইওভারটি।

মগবাজার-মৌচাক ফ্লাইওভার নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় নির্ধারণ করা হয়েছিল ২০১১ সাল থেকে ডিসেম্বর ২০১৩ পর্যন্ত। পরে প্রকল্পের মেয়াদ ডিসেম্বর ২০১৬ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়। প্রথম ধাপে প্রকল্পের নির্মাণ ব্যয় ছিল মাত্র ৩৪৩ কোটি ৭০ লাখ টাকা। দ্বিতীয় ধাপে ৭৭২ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়। এখন প্রকল্পের ব্যয় বেড়ে দাঁড়ালো ১ হাজার ২১৮ দশমিক ৮৯ কোটি টাকা। অন্যদিকে সময় বেড়ে দাঁড়ালো জুন ২০১৭ সাল নাগাদ।

প্রকল্পটি প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দিয়ে বলেন, প্রকল্পের সময় ও ব্যয় আর বাড়ানো হবে না। এই সময়ের মধ্যে কোয়ালিটি নিশ্চিত করে প্রকল্পটি জনসাধারণের জন্য জুন ২০১৭ সালের মধেই উন্মুক্ত করে দিতে হবে।

একনেক সভায় বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা উন্নয়ন প্রকল্পের চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়।

প্রকল্পের বিষয়ে আলোচনা করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (আরইবি) ও বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) দুটি প্রতিষ্ঠান আলাদাভাবে বিদ্যুৎ কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

বাংলাদেশ নদীবক্ষের বালিতে মূল্যবান খনিজের উপস্থিতি নির্ণয়ে খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় ও বিজ্ঞান প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়কে যৌথভাবে কাজ করারও নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।

১ হাজার ১৯৩ কোটি ৩২ লাখ টাকা ব্যয়ে কক্সবাজার বিমানবন্দর উন্নয়ন প্রকল্পের চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়। প্রকল্প প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটাকে অত্যাধুনিক বিমানবন্দরে রুপ দিতে হবে। সময়ের মধ্যে প্রকল্পের কাজ সম্পূর্ণ করতে হবে। এছাড়া প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে গিয়ে চার হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এদের যথাযথভাবে পুনর্বাসন করারও নির্দেশ দিয়েছেন
প্রধানমন্ত্রী।

একনেক সভায় মোট ১০টি প্রকল্পের চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়। প্রকল্পগুলোর মোট ব্যয় ৪ হাজার ৮৩০ কোটি ৯২ লাখ টাকা। এর মধ্যে প্রকল্প সাহায্য ৭৭৬ কোটি ১৭ লাখ টাকা, বাকি অর্থ সরকারি নিজস্ব তহবিল থেকে মেটানো হবে।

print