মঙ্গলবার , ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ | ৬ই বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ ও দুর্নীতি
  2. অর্থনীতি
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আরও
  5. ইসলাম
  6. করোনাভাইরাস
  7. খাদ্য
  8. খেলাধুলা
  9. জাতীয়
  10. বানিজ্য
  11. বিনোদন
  12. রাজনীতি
  13. লাইফস্টাইল
  14. শিক্ষা
  15. সর্বশেষ

কৃষি জমি বাঁচাতে হাওড়ে এখন থেকে তৈরি হবে উড়াল সড়ক-কিশোরগঞ্জে প্রধানমন্ত্রী

প্রতিবেদক
tulpar
ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৩ ১১:৫৪ পূর্বাহ্ণ


কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি.

কৃষককে বাচাঁতে ও কৃষি জমির ক্ষতি এড়াতে এখন থেকে হাওরে প্রত্যকটি উড়াল সড়ক তৈরি হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। হাওর অঞ্চলের যেন কোনো ক্ষতি না হয় সেজন্য উড়াল সড়ক করা হবে। হাওরে উড়াল সড়কের প্রকল্প ইতোমধ্যেই একনেকে অনুমোদন দিয়েছি। হাওরের পানি নিষ্কাশনের সকল ব্যবস্থা করা হয়েছে। নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জে মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র করেছি। তিনি বলেন, গ্রামের মানুষ যেন গ্রামেই শহরের সকল সুযোগ সুবিধা পায় সেই ব্যবস্থা করা হয়েছে। ‘আমার গ্রাম হবে আমার শহর’ এই ¯েøাগানে আমরা কাজ করছি। আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, আমরা প্রত্যেকের হাতে মোবাইল ফোন পৌঁছে দিয়েছি। ভূমিহীনদের জন্য বিনামূল্যে ঘর, জমির ব্যবস্থাও করে দেওয়া হয়েছে।
তিনি কৃষকদের উদ্দেশে সরকার প্রধান বলেন, করোনা মহামারির সময় ছাত্রলীগ, যুবলীগের নেতাকর্মীরা ধান কেটে কৃষকের ঘরে পৌঁছে দিয়েছে। একজন কৃষক এখন মাত্র ১০ টাকা দিয়ে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলতে পারে।। দুর্গম অঞ্চলে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠির ভাগ্যোন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে বর্তমান সরকার। মঙ্গলবার বিকালে কিশোরগঞ্জের হাওর উপজেলার মিঠামইনে সুধী সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি
রাষ্ট্রপতির বিষয়ে তিনি বলেন, আবদুল হামিদ সবসময় আন্তরিকতা, নিষ্ঠা ও সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে এসেছেন। তার ইচ্ছা ছিল এ অঞ্চলে একটি সেনানিবাস গড়ে উঠুক। যাতে এ গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জীবনমানে আমূল পরিবর্তন আসে। তার ইচ্ছা পূরণ করতে পেরে আমরাও আনন্দিত। এজন্য তার নামেই সেনানিবাসের নামকরণ করা হয়েছে। হাওর এলাকার উন্নয়নে এ সেনানিবাস বিশাল ভূমিকা রাখবে বলে জানান সরকার প্রধান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকায় দেশের উন্নয়ন হচ্ছে। এসময় তিনি সবাইকে মিতব্যয়ী হওয়ারও তাগিদ দেন।
এর আগে সকাল ১০টা ৫৫ মিনিটে হেলিকপ্টারে করে তিনি ঢাকা থেকে মিঠামইনে পৌঁছান। সফরের শুরুতে সকালে মিঠামইন সদরের ঘোড়াউত্রা নদীর তীরে ২৭৫ একর জায়গায় নবনির্মিত বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হামিদ সেনানিবাসের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে দুপুর ১২টা পর্যন্ত বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন তিনি। পরে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের আমন্ত্রণে মিঠামইন সদরের কামালপুরে তার পৈত্রিক বাড়িতে যান প্রধানমন্ত্রী। সেখানে জোহরের নামাজ শেষে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীরা। এ সময় তাদের ২৩ পদের হাওরের মাছ ও এলাকার বিখ্যাত পনির দিয়ে আপ্যায়ন করা হয়।
এদিকে সকাল থেকেই জনসভাস্থলে নেতাকর্মীদের ঢল নামে। বাঁশি বাজিয়ে, নানা ¯েøাগানে তারা মুখরিত করেন জনসভাস্থল। প্রধানমন্ত্রীর মিঠামইন আগমনকে কেন্দ্র করে বর্ণিল সাজে সাজানো হয়েছে হাওরের প্রতিটি প্রবেশপথ ও পয়েন্ট। সাজানো হয়েছে সরকারের হাওরে বিভিন্ন উন্নয়নসহ দেশের বিভিন্ন উন্নয়ন চিত্রের ছবির মাধ্যমে।
প্রসঙ্গত, ১৯৯৮ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রথমবার মিঠামইন সফর করেন। তখন মো. আবদুল হামিদ কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম) আসনের সংসদ সদস্য ও ডেপুটি স্পিকার ছিলেন। দীর্ঘ ২৫ বছর পর প্রধানমন্ত্রী মিঠামইন সফরে এলেন।

সর্বশেষ - Uncategorized